Skip to main content

অল্প বয়সে উচ্চ রক্ত চাপ

অল্প বয়সে উচ্চ রক্তচাপের কারন হচ্ছে বদভ্যাস এবং অতিরিক্ত ফাস্টফুড । এখন  অল্পবয়সের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে । আর এর মূল কারন অতিরিক্ত ওজন, দুর্বল শরীর, পুষ্টির অভাব এবং এরই সাথে রয়েছে ব্যায়ামের অভাব । উচ্চ রক্তচাপ শুধু যে বয়স্ক মানুষের হয় তেমনটা নয় গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে ২০ থেকে ৪০ বছর বয়সীর মধ্যে সাধারণত উচ্চ রক্তচাপ দেখা যায়। একজন ব্যক্তির স্বাভাবিক অবস্থায় রক্তচাপের পরিমাপ ১২০/৮০ হয় । বয়সের সাথে সেটা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। যাদের রক্তচাপের পরিমাপ ১৩০/৯০ কিংবা ১৪৫/১০০ সে সমস্ত ব্যক্তিদের উচ্চ রক্তচাপ থাকে।                    

উচ্চ রক্তচাপের জন্য যে সমস্ত সমস্যা হতে পারে বা যে সমস্ত লক্ষণ  শরীরে দেখা যায় 

শরীরের জন্য বেশ বিপজ্জনক হতে পারে যদি এটি দীর্ঘ সময় ধরে নিয়ন্ত্রণে না থাকে। এটি হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনি সমস্যা, চোখের সমস্যা, এবং বিভিন্ন ধরনের শারীরিক জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।  

অল্প বয়সে উচ্চ রক্তচাপ হলে কোন বিষয়গুলো মেনে চলতে হবে 

  • সর্বপ্রথম শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে 
  • শাকসবজি এবং ফলমূল বেশি বেশি খেতে হবে 
  • দৈনিক ১ঘন্টা হাটাহাটি করতে হবে 
  • প্রতিদিন রক্তচাপের পরিমাপ মাপতে হবে
  • ধূমপান করা যাবে না মদ্যপান করা যাবে না 
  • অতিরিক্ত চিন্তা করা যাবে না 
  • দৈনিক সাত ঘন্টা ঘুম একজন অল্প বয়সী কিংবা ঊর্ধ্ব বয়সীদের জন্য প্রয়োজন
  • দৈনিক ৮/১০ গ্লাস পানি পান করতে হবে রক্তচাপ কমানোর জন্য
  • তেঁতুল পানি খেলে রক্তচাপ কমানো সম্ভব কারণ 
  • যদি শরীরে অতিরিক্ত ফ্লোরাইডের পরিমাণ থাকে তাহলে উচ্চ রক্তচাপের পরিমাণ বেশি থাকে তাই এই অতিরিক্ত ফ্লোরাইডের পরিমাণ কমানোর জন্য প্রতিদিন ১০ গ্রাম তেঁতুল খাওয়া উচিত
  • মুখরচির জন্য যে মিষ্টি তেতুল খাওয়া যাবে তা নয় বরং মিষ্টি তেতুল পরিহার করতে হবে মিষ্টি তেতুল বাদ দিতে হবে এবং টক- তেঁতুল টা খেতে হবে যার ফলে উচ্চ রক্তচাপ কমানোর সম্ভাবনা বেশি থাকে
  • দৈনিক এক কাপ লেবুর রস খেতে হবে 
  • সময় মত ঘুমাতে হবে এবং সময়মতো উঠতে হবে 
  • নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে ব্যায়ামের 
  • ময়দা জাতীয় খাবার, চিনি বিশেষ করে চিনি আমাদেরকে এড়িয়ে চলতে হবে । অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার  খাওয়া যাবে না । যেগুলো কার্বাইডের খাবার সেগুলো খাওয়া যাবে না। শরীরে বেশি  পটাশিয়াম প্রয়োজন তাই পটাশিয়াম যুক্ত খাবার খেতে হবে। এই পটাশিয়াম খাবার এর মধ্যে রয়েছে কলা টমেটো তারপরে বাদাম ইত্যাদি। যেগুলো অতিরিক্ত পটাশিয়াম জাতীয় খাবার সেগুলো খেতে হবে।


Comments

Popular posts from this blog

রমজান মাসের ৩০ টি আমল

 রমজান মাস হলো আত্মশুদ্ধি, ইবাদত, ও নেক আমলের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের শ্রেষ্ঠ সময়। এই মাসে প্রতিদিন একটি করে ভালো আমল করার পরিকল্পনা করলে আমাদের আমলনামা আরও সমৃদ্ধ হবে, ইনশাআল্লাহ। এখানে রমজানের প্রতিদিনের জন্য ৩০টি আমল দেওয়া হলো, যা আপনাকে রমজানকে আরও অর্থবহ করতে সাহায্য করবে ইনশাআল্লাহ। প্রথম ১০ দিন: রহমতের দশক রমজানের প্রথম দশ দিন আল্লাহর কাছে বেশি বেশি ইবাদত করে তাঁর রহমত লাভের চেষ্টা করা উচিত। ১. রোজার নিয়ত ও ইখলাস দৃঢ় করা প্রত্যেক রোজার শুরুতে নিয়ত করুন এবং দৃঢ় সংকল্প করুন যে, শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই রোজা রাখছেন। ২. প্রতিদিন কুরআন তিলাওয়াত করা রমজান কুরআনের মাস। প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ কুরআন তিলাওয়াত করুন এবং তার অর্থ বোঝার চেষ্টা করুন। ৩. ফজরের পর কিছু সময় যিকির করা ফজরের নামাজের পর অন্তত ৫-১০ মিনিট— সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার (১০০ বার) আস্তাগফিরুল্লাহ (১০০ বার) লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (১০০ বার) পড়া অভ্যাস করুন। ৪. নিয়মিত দরুদ শরিফ পাঠ করা রাসুল (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরুদ পাঠ করে, আল্লাহ তার ওপর দশবার রহমত বর্ষণ ক...